মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

সুন্দরবনে  মাছ ধরার অনুমতি প্রদান করা হয়ে থাকে ।

 

*   যে সকল জেলে সুন্দরবনে মাছ ধরতে ইচ্ছুক তাদেরকে বন বিভাগের ষ্টেশনে গিয়ে তাদের মাছ ধরার নৌকা নিবন্ধন ( বি এল সি ) গ্রহণ করতে হয়। জেলেরা মাছ ধরার জন্য বনে প্রবেশের পূর্বে সংশি­ষ্ট ষ্টেশনে গিয়ে সরকার কর্তৃক ধার্যকৃত রাজস্ব পরিশোধপূর্বক বনে প্রবেশের জন্য পাশ পারমিট সংগ্রহ করেন এবং বনে প্রবেশ করেন। এক্ষেত্রে জেলেদেরকে ১ সপ্তাহের জন্য মাছ ধরার অনুমতি প্রদান করা হয়ে থাকে। উলে­খ্য সারা বছরই সুন্দরবনে অভয়ারণ্য এলাকা ও নিষিদ্ধ খাল ব্যতীত মাছ ধরার অনুমতি প্রদান করা হয়।

 

®  শীতকালীন  (অক্টোবর হতে ফেব্রুয়ারী ) সময়ের জন্য শুটকী মাছ শুকানো ও পরিবহনের অনুমতি  প্রদান করে হয়ে থাকে ।

 

*   সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চর এলাকায় শীত মৌসুমে (অক্টোবর হতে ফেব্রুয়ারী ) সময়ে শুটকী মাছ শুকানোর জন্য মৎস্য তালিকা ভুক্ত ব্যবসায়ীগণ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার বরাবর সংখ্যা উলে­খ করে জেলে ঘর / ডিপো ঘরের জন্য আবেদন করেন। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবেদনপত্র যাচাই বাছাই করে জেলে ঘর / ডিপো ঘরের অনুমতি প্রদান করেন। তৎপ্রেক্ষিতে বি,এল,সির অনুকুলে জেলেরা সমুদ্রে মাছ ধরে এবং নির্দ্দিষ্ট চরে মাছ শুকায়। মাছ শুকানোর পরে শুটকী মাছের পরিমাপের উপর ভিত্তি করে সরকারকর্তৃক নির্ধারিত রাজস্ব আদায় পূর্বক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, জেলেপল­ী টহড় ফাঁড়ি, দুবলা  উক্ত মাছ পরিবহনের অনুমতি প্রদান করেন

 

®  সুন্দরবনের ভ্রমনের অনুমতি প্রদান ।

 

*   সুন্দরবনে ভ্রমনে যাওয়ার পূর্বে ভ্রমনার্থীদের নামের তালিকা, কোন স্থানে, কত দিন ভ্রমন করতে ইচ্ছুক এবং লঞ্চের সার্ভে সনদসহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার বরাবরে আবেদন করলে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবেদন পত্র যাচাইয়ান্তে দ্রুততার সাথে সুন্দরবনে ভ্রমনে অনুমতি পত্র দিয়ে থাকেন। নিবন্ধিত/অনিবন্ধিত ট্যুরিষ্ট লঞ্চের মাধ্যমে ট্যুররিষ্টদের সুন্দরবন ভ্রমনের অনুমতি প্রদান করা হয়।^ সংশি­ষ্ট বন ষ্টেশনে রাজস্ব আদায় সাপেক্ষে ষ্টেশন 

     কর্মকর্তা ভ্রমনের পারমিট প্রদান করে থাকেন।

 

 

     এ ছাড়া  সারা বছর ট্যুরিষ্টদের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে বন্যপ্রাণী স্বচক্ষে দর্শন, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র সম্পর্কে ধারণা ও বনাভ্যন্তরে পাঁয়ে হেটে ভ্রমনে সহযোগিতা করা হয়।

 

® শীতকালীন (অক্টোবর হইতে মার্চ ) মৌসুমী অপ্রধান বনজদ্রব্য গোলপাতা, ছন, হেতাল, মালিয়া, মধু এবং মোম ইত্যাদির অনুমতি প্রদান করা হয়

জেলে, বাওয়ালী, মৌয়ালীগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মৌসুম ভিত্তিক গোলপাতা,ছন, হেতাল, মালিয়া, মধু ও মোম সংগ্রহের  অনুমতি প্রদান করে থাকেন। জেলে, বাওয়ালী, মৌয়ালীগণ গোলপাতা, ছন, হেতাল, মালিয়া, মধু ও মোম সংগ্রহের জন্য সংশি­ষ্ট ষ্টেশনে গেলে ষ্টেশন কর্মকর্তা নৌাকার পরিমাপ করতঃ বি,এল,সি প্রদান করেন। বি,এল,সির অনুকহলে ষ্টেশন কর্মকর্তা সময় ধার্য করে  সরকার নির্ধারিত  রাজস্ব আদায় পূর্বক পাশ পারমিট প্রদান করে থাকেন।

 

®  জেলে/ মৎস্য ব্যবসায়ী সংরক্ষিত বনাঞ্চল তৎসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার জন্য তালিকভুক্ত করা হয়। 

     

 

ÿ*   জেলে/মৎস্য ব্যবসায়ীগণ মৎস্য তালিকা ভুক্ত হবার জন্য বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ, বাগেরহাটের নিকট আবেদন করলে তদন্তের ভিত্তিতে নির্ধারিত মৎস্য তালিকা ভুক্তি ফি আদায় পূর্বক মৎস্য তালিকা ভুক্ত করা হয়।

 

       তালিকা ভুক্তি মৎস্য ব্যবসায়ীগণ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, বরাবর সুন্দরবনের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও  তৎসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা ও পরিবহনের জন্য আবেদন করলে প্রতি মাসের জন্য অনুমতিপত্র দিয়ে থাকেন। নির্ধারিত রাজস্ব সংশি­ষ্ট ষ্টেশন আদায় পূর্বক  ( ৩ হর্স পাওয়ার ও তদুর্ধ ইঞ্জিন বিশিষ্ট ট্রলারের জন্য প্রযোজ্য ) সুন্দরবনে প্রবেশের পাশ  দিয়ে থাকেন।

 

®  নীলামে বিক্রয়কৃত কাঠ ও দেশীয় কাঠ পরিবহনের জন্য অনুমতি প্রদান।

 

*  নীলামে বিক্রয়কৃত কাঠ ও দেশীয় কাঠ চলাচলের জন্য কাঠের মালিক বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করলে তদন্ত পূর্বক নীলামে বিক্রকৃত কাঠ দেশীয়/গ্রামীন বনজদ্রব্য এর চলাচল পাশ (টি,পি) ইস্যু করা হয়।

 

 

®   কাঁকড়া রপ্তানী কারকদের খামার নিবন্ধন এবং কাঁকড়া রপ্তানীর অনাপত্তি (এনওসি) প্রদান

     করা হয়।

 

*   কাঁকড়া রপ্তানী কারক প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত ফরমে কাঁকড়া খামারের জমির চুক্তিনামাসহ বিভাগীয় বন কমকর্তা বরাবর খামার নিবন্ধনের জন্য আবেদন করলে তদন্ত করে নির্ধারিত রাজস্ব আদায় পূর্বক কাঁকড়া খামার নিবন্ধন করা হয়।

 

     এছাড়া কাঁকড়া খামার মালিকগণ জীবিত কাঁকড়া রপ্তানির নিমিত্তে অনাপত্তি পত্র পাবার জন্য বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরাবর  আবেদন করলে তদন্তের ভিত্তিতে তদন্ত পত্রে উলে­খিত পরিমান কাঁকড়া রপ্তানির জন্য অনাপত্তি পত্র উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়।

 

®  বাগেরহাট জেলার বাগেরহাট সদর, মংলা, মোড়েলগঞ্জ এবং শরণখোলা উপজেলার

     করাতকল  লাইসেন্স প্রদান এবং নবায়ন করা হয়।

 

 

*  করাতকলের মালিকগণ করাতকল লাইসেন্স পাবার এবং নবায়নের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করলে রেঞ্জ কর্মকর্তা তদন্ত করতঃ উপজেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটির সভায় উপস্থাপন করেন। উপজেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটির সভায়  সিদ্ধান্ত গৃহিত হবার পর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, জেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটির সভায় উহা উপস্থাপন করেন। জেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত গৃহিত হবার পর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সরকার কর্তৃক ধার্যকৃত লাইসেন্স ফি এবং নবায়ন ফি আদায় পূর্বক লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন করে থাকেন।